বঙ্গবন্ধুর গৌরবময় ও কীর্তিময় জীবনের একটা বড় সময় কাটিয়েছেন কারাবন্দী অবস্থায়। জেলখানার অখণ্ড অবসরে তিনি বই পড়তেন। নতুন নতুন স্বপ্ন দেখতেন। জেল থেকে ফিরে তাকে কর্মব্যস্ত রাজনৈতিক কর্মে আত্মনিয়োগ করতে হতো। যখন সামান্য অবসর পেতেন তখন সময় কাটাতেন পরিবারের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে গল্প গুজবে তিনি মেতে উঠতেন। যে কারণে তার পাঁচ সন্তানই বিকশিত হয়েছিলেন সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে। সন্তানেরা প্রত্যেকেই শিল্প সাহিত্য জগতের অনুরাগী ছিলেন। তারা নিজেরাও নানাভাবে সংযুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে। বত্রিশ নম্বর বাড়ির ভেতরে বইতো সাংস্কৃতিক সুবাতাস।
আমার বাবা ফজলুল হক। এক অন্যরকম স্বপ্নবিলাসী ব্যক্তি। এদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণের অনেক অনেক আগে চলচ্চিত্রের সচিত্র পত্রিকা বের করেছিলেন। তার সঙ্গে দেখা হলেই বঙ্গবন্ধু তাকে সম্বোধন করতেন- কী হে ডাক্তার কি খবর তোর?